রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১০:৫২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
মাধবপুরে এক ছাত্রের ছুরিকাঘাতে অপর ছাত্রের মৃত্যু ‎ সুন্নি জাগরণের সূচনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌরসভার ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচারের দাবিতে মানব বন্ধন মাধবপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার, ৯০হাজার টাকা উদ্ধার ‎ সাংবাদিক তুহিন হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন করতে দুর্ভোগে জন সাধারন। হবিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীরা ইভটিজিং এর স্বীকার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও সঠিক ব্যাখ্যা হবিগঞ্জের শাহজিবাজার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড, অন্ধকারে পুরো জেলা

রমজানে কেন কোরআন নাজিল হয়েছে

মোঃ নুরুজ্জামান রাজু
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
  • ৬৭ বার পঠিত

৷৷ ইসলাম
ধর্ম ডেস্ক

রমজান মাসে কোরআন নাজিল হওয়ার কথা কোরআনেই বিবৃত হয়েছে (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৭)। কিন্তু কেন রমজানকে কোরআন নাজিলের জন্য বেছে নেওয়া হলো, তার প্রকৃত কারণ আল্লাহ ছাড়া আর কে জানবেন? তবে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত, হাদিসের ভাষ্য এবং সময়ের সাক্ষ্য থেকে বোঝা যায় বিশেষত তিনটি কারণে রমজানে কোরআন নাজিল করা হয়েছে।

 ১. রমজান আসমানি গ্রন্থ নাজিলের মাস

রমজানে আসমানি গ্রন্থ নাজিল করা আল্লাহ তায়ালার সাধারণ একটি রীতি এবং সে-অনুসারে রমজানেই পূর্বেকার আসমানি গ্রন্থ নাজিল করেছেন। কোরআন নাজিল সেই রীতির একটি ধারাবাহিকতা। যেমন: রাসুল (সা.) বলেন, রমজান মাসের প্রথম দিন ইবরাহিম (আ.) সহিফা লাভ করেন, ৬ তারিখে মুসা (আ.)-এর কাছে ‘তাওরাত’ নাজিল হয়। দাউদ (আ.)-এর কাছে জাবুর নাজিল হয় এই মাসের ১২ তারিখে, আর ঈসা (আ.) ‘ইঞ্জিল’ প্রাপ্ত হন এবং কোরআন নাজিল হয় রমজানের ২৪ তারিখে। (তাবারানি, হাদিস: ১৮৫; তাফসিরে তাবারি, ২৪/৩৭৭)

২. রমজান ও কোরআনের অভিন্ন উদ্দেশ্য

 রমজান ও কোরআন উভয়ের উদ্দেশ্য এক, তা হলো তাকওয়া অর্জন। কোরআনে এসেছে, ‘তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৩)

 আবার কোরআন যদিও সমগ্র মানবজাতির জন্য, তবে প্রকৃত উপকার পাবে শুধু মুত্তাকিরা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এটি আল্লাহর কিতাব। এতে কোনও সন্দেহ নেই, মুত্তাকিদের জন্য হিদায়াত।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২)

 ৩. কোরআন সংরক্ষণ

 রমজান মাস হলো কোরআন সংরক্ষণের মাস। যদিও কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহর হাতে। যেমন তিনি বলেছেন, আমি এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষক (সুরা হিজর, আয়াত: ৯)। কিন্তু মানুষ পৃথিবীতে তার প্রতিনিধি এবং মানুষের জন্য তিনি দিয়েছেন রমজান ও কোরআন। রাসুলের (সা.) জীবন থেকে দেখি রমজান মাসকে তিনি কোরআন অনুশীলনের জন্য বিশেষভাবে বেছে নিয়েছেন এবং তার সাহাবি ও পরবর্তী অনুসারীরাও করেছেন। কোরআনে সেই সকল মহান ব্যক্তিদের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘এটা সংরক্ষণ ও পাঠ করার দায়িত্ব আমার। যখন আমি তা পাঠ করি, তখন তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর। আর তা ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব আমারই। (সুরা কিয়ামাহ, আয়াত: ১৭-১৮)

 পাশাপাশি তিনি রমজানে রোজা ফরজ করে তার সঙ্গে তারাবি’র মতো এমন একটি ইবাদত জুড়ে দিয়েছেন, যা বর্তমান বাস্তবতায় হাফেজদের কোরআন চর্চার জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ। এভাবে বিশ্বজুড়ে হাফেজদের ঐক্যবদ্ধ অনুশীলন প্রমাণ করে রমজান ছাড়া তাদের জন্য কোরআন হেফাজত করা যারপরনাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..