বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
মাধবপুরে এক ছাত্রের ছুরিকাঘাতে অপর ছাত্রের মৃত্যু ‎ সুন্নি জাগরণের সূচনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌরসভার ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচারের দাবিতে মানব বন্ধন মাধবপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার, ৯০হাজার টাকা উদ্ধার ‎ সাংবাদিক তুহিন হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন করতে দুর্ভোগে জন সাধারন। হবিগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীরা ইভটিজিং এর স্বীকার প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও সঠিক ব্যাখ্যা হবিগঞ্জের শাহজিবাজার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ড, অন্ধকারে পুরো জেলা

মোঃ নুরুজ্জামান রাজু
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫ বার পঠিত

১৭ বছর আগে করা আদালত অবমাননার মামলায় হবিগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ (এডিসি) চার সরকারি কর্মকর্তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আজ রোববার বিকেলে হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ তারেক আজিজ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন হবিগঞ্জের তৎকালীন ডিসি মো. আতাউর রহমান, এডিসি (রাজস্ব) এ কে এম আমিনুল ইসলাম, বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরে আলম সিদ্দিকী এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সফিউল আলম। তাঁদের মধ্যে আতাউর রহমান ও আমিনুল ইসলাম অবসরে গেছেন। অন্যরা এখনো কর্মরত আছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকায় একটি জমিতে উচ্ছেদ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। তখন জমির দখলকার আবদুল হামিদ জমির ওপর আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ডিক্রি আছে বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশাসন সেটি না মেনে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে আবদুল হামিদ অভিযানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে ২০০৮ সালের ১০ আগস্ট হবিগঞ্জের তৎকালীন ডিসি আতাউর রহমান, এডিসি এ কে এম আমিনুল ইসলাম, বানিয়াচংয়ের ইউএনও নুরে আলম সিদ্দিকী, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সফিউল আলমসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা করেন।

ওই মামলায় আজ বিকেলে রায় হয়। জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ তারেক আজিজ অভিযুক্ত ৪ সরকারি কর্মকর্তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দেন। তাঁরা অনুপস্থিত থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালতের পেশকার সাইফুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সুদীপ কান্তি বিশ্বাস বলেন, ১৭ বছর আগে করা মামলার রায়ে আজ আদালত চারজনকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। বাদীকে তাঁর জমি বুঝিয়ে দিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ২১ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..