বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
ওমানে দুই তালার ছাদ থেকে পরে কোমর এবং পায়ের হাড় ভেঙ্গে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বানিয়াচংয়ে একই পরিবারের দুই সন্তানের উজ্জ্বল মুখ: বৃত্তি পরীক্ষায় ভাই-বোনের চমকপ্রদ সাফল্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা পত্র হস্তান্তর হবিগঞ্জে সরকারি অনুমোদন পেল দৈনিক ‘রূপান্তর সময়’ ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি (জনবীমা) হবিগঞ্জে প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ সমাজ সেবক মোহাম্মদ সজলু মিয়া ন্যাশনাল টি’র আর্থিক হিসাবে বড় ধরনের গরমিল, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উঠে এলো উদ্বেগজনক তথ্য বহুল প্রচারিত দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকায় হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল। দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া জায়েজ? হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ জাকির মিয়া হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ জাকির মিয়া

শবে কদর কোন রাতে

মোঃ নুরুজ্জামান রাজু
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৪৫ বার পঠিত

ধর্ম ডেস্ক

ঠিক কোন রাতে শবে কদর কোরআনে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কদর যে রমজান মাসে, তার নির্দেশ স্পষ্ট। সুরা বাকারায় বলা হয়েছে, কোরআন রমজান মাসে অবতীর্ণ হয়েছে (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৭) এবং সুরা কদর-এ বলা হয়েছে, কোরআন কদর রাতে নাজিল হয়েছে। (সুরা কদর, আয়াত: ১)

 আর এই রাত যে রমজানের শেষ দশকে হবে বলে, তা বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। এমনকি তা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলেও হাদিসে এসেছে। (বুখারি, হাদিস: ২,০২০) এমনকি কোনও হাদিসে আমরা শেষ সাত দিনের কথাও দেখেছি। (মুসলিম, হাদিস: ২,৮২২)

 অনেকে শবে কদর বা লাইলাতুল কদর বলতে কেবল সাতাশের রাতকে বোঝেন। বিশুদ্ধ মত অনুসারে, কদর কেবল সাতাশের রাতে সীমাবদ্ধ নয়। তবে, অন্যান্য রাতের তুলনায় এ রাতের ব্যাপারে প্রবল ধারণা পোষণ করা যায়। কেননা, সাতাশতম রাতে কদর হওয়ার বর্ণনাও রয়েছে। রাসুল (সা.) কদরের জন্য সর্বাধিক সম্ভাবনাময় রাত্রি হিসেবে সাতাশের রাত্রিকে নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেন, যে তা (লাইলাতুল কদর) অনুসন্ধান করবে, সে যেন অনুসন্ধান করে সাতাশের রাতে। এবং তিনি বলেছেন, তোমরা তা অর্থাৎ লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান কর সাতাশের রাতে। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ৬৪৭৪)

 এ-সম্পর্কিত অধিক বর্ণনার কারণে সাহাবি উবাই বিন কাব (রা.) শপথ করে বলতেন যে, তা সাতাশের রাতেই ঘটে। (মুসলিম, হাদিস: ১,৮২২)

তবে একুশের রাত ও তেইশের রাতে লাইলাতুল কদর হয়েছে, এমন প্রমাণও হাদিসে পাওয়া যায়। আবু সাইদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমাকে তা এক বেজোড় রাতে দেখানো হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে যে, আমি সে ভোরে কাদা ও মাটিতে সেজদা দিচ্ছি।’ এরপর তিনি একুশের রাতে রাতভর ইবাদত করলেন। তিনি ফজর নামাজের জন্য দাঁড়ানো মাত্র আকাশ ঝেঁপে বৃষ্টি নামল। মসজিদে চুঁইয়ে চুঁইয়ে পানি পড়ছিল। আমি কাদা ও পানি দেখতে পেলাম। নামাজ শেষে যখন তিনি বের হলেন, তখন তার কপাল ও নাকের পাশে ছিল পানি ও কাদা। সেটি ছিল একুশের রাত। (বুখারি, হাদিস: ২,০১৮)

 আবদুল্লাহ ইবনে আনিস (রা.) বর্ণিত হাদিসে রয়েছে, ‘রাসুল (সা.) বলেন, ‘প্রথমে আমাকে লাইলাতুল কদর দেখানো হলেও পরে আমি তা ভুলে যাই। আমাকে দেখানো হয়েছিল যে, সে ভোরে পানি ও কাদায় আমি সেজদা দিচ্ছি।’ বর্ণনাকারী বলেন, তেইশের রাতে আমরা বৃষ্টি স্নাত হলাম, রাসুল (সা.) আমাদের নিয়ে নামাজ আদায় করলেন। বের হওয়ার সময় দেখা গেল, তার কপাল ও নাকে পানি ও কাদার চিহ্ন।’ (মুসলিম, হাদিস: ২,৮৩২)

 বোঝা গেল, অধিকতর সম্ভাবনার দিক দিয়ে প্রথম হলো রমজান মাসের ২৭ তারিখ। দ্বিতীয়: ২৫ তারিখ। তৃতীয়: ২৯ তারিখ। চতুর্থ : ২১। আর পঞ্চম হলো: ২৩ তারিখ।

 বিভিন্ন মতের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, লাইলাতুল কদরকে গোপন করা হয়েছে, এবং শেষ দশের বেজোড় রাতগুলোতে—নির্দিষ্ট এক রাতে নয়, ভিন্ন ভিন্ন রাতে উপস্থিত হয়। মানুষের জন্য আল্লাহ তয়ালার পক্ষ হতে এটা এক বিশেষ দয়া যে, কখনো এক রাতে, কখনো ভিন্ন রাতে কদর হাজির হয়। আমলে আগ্রহী ও উদাসীনদের মাঝে এক সরল পার্থক্য রেখা টেনে দেয়। তিনি দেখতে চান এর বরকত ও ফজিলত লাভের জন্য কে কত প্রচেষ্টা চালাতে পারে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..