বুধবার, ০৭ মে ২০২৫, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল থেকে হবিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে  তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা আজমিরীগঞ্জে সমিতির দখলকে কেন্দ্র করে দু’ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আহত ৫০। ৫ দফা দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম! শতবষী পাঁচটি কড়ই গাছ কেটে ফেলেছে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ হালাল-হারাম বুঝেশুনে ইবাদত করতে হবে আইনজীবী না হয়েও গ্রাউন পরে! কোর্টে প্রতারণার অভিযোগ – সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার ভিডিও ভাইরাল হবিগঞ্জ পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের কাফন মিছিল ॥কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী মাধবপুরে ট্রাক ও পিকআপের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত মাধবপুরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, শাশুড়ি ও ননদ গ্রেপ্তার আজমিরীগঞ্জে বজ্রপাতে দুই ধানকাটা শ্রমিকের মৃত্যু !!

প্রেমনগর চা বাগানে শ্রমিক কার্ড বাণিজ্য! ডিজিএমসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২২ বার পঠিত

সাম্প্রতিক সময়ে মৌলভীবাজার জেলার প্রেমনগর চা বাগানে শ্রমিক কার্ড নিয়ে অবৈধ লেনদেনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, নিবন্ধিত এক শ্রমিকের কাজ তিন লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এতে সরাসরি জড়িত রয়েছেন বাগানের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজার ও টিলা বাবু প্রানেস কর।

ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন কয়েকজন সর্দার খেয়াল করেন, প্রেমনগরের শ্রমিক সেলিনা কাজ না করলেও, তার নামে হাজিরা দেখানো হচ্ছে। হবিগঞ্জের খবরের তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রকৃতপক্ষে সেই কাজটি করছেন অন্য একজন শান্তা নামে পরিচিত। যিনি ভিকটিম সেলিনা নামে পরিচিত। সেলিনার সাথে সাবেক ম্যানেজার হুসেইন উদ্দিনের পূর্ব থেকে ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল বলে জানা গেছে। আসলে সেলিনা তার কাজটি শান্তার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এর আগে শান্তা অনেকের বদলী কাজ করে আসছিল।

তদন্তে আরো প্রকাশ পায়, এই অবৈধ লেনদেনে টিলা বাবু প্রানেস কর নেন এক লাখ টাকা, এবং ডিজিএম রফিকুল ইসলাম ও ম্যানেজার ভাগ করে নেন বাকি দুই লাখ টাকা। অথচ চা বাগান পরিচালনার নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, নিবন্ধিত শ্রমিক কার্ড বিক্রয় বা হস্তান্তর সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল টি কোম্পানির আওতাধীন প্রায় ১২টি চা বাগানে এমন অবৈধ কার্ড বাণিজ্য চলছে নিয়মিত। প্রতিটি শ্রমিক কার্ড ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি হলেও, পুরো টাকাটা বিক্রেতা পান না। মাঠ পর্যায়ের ম্যানেজার, ডিজিএম এবং ঢাকার হেড অফিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পর্যন্ত কমিশন দিতে হয় – এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।

এ ঘটনায় প্রেমনগরসহ সংশ্লিষ্ট চা বাগানগুলোর শ্রমিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত ও যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ডিজিএম রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোনে পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি রফিকুল ইসলামই প্রেমনগর চা বাগানের ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..