মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
ওমানে দুই তালার ছাদ থেকে পরে কোমর এবং পায়ের হাড় ভেঙ্গে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বানিয়াচংয়ে একই পরিবারের দুই সন্তানের উজ্জ্বল মুখ: বৃত্তি পরীক্ষায় ভাই-বোনের চমকপ্রদ সাফল্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা পত্র হস্তান্তর হবিগঞ্জে সরকারি অনুমোদন পেল দৈনিক ‘রূপান্তর সময়’ ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি (জনবীমা) হবিগঞ্জে প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ সমাজ সেবক মোহাম্মদ সজলু মিয়া ন্যাশনাল টি’র আর্থিক হিসাবে বড় ধরনের গরমিল, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উঠে এলো উদ্বেগজনক তথ্য বহুল প্রচারিত দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকায় হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল। দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া জায়েজ? হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ জাকির মিয়া হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ জাকির মিয়া

প্রেমনগর চা বাগানে শ্রমিক কার্ড বাণিজ্য! ডিজিএমসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৪৪ বার পঠিত

সাম্প্রতিক সময়ে মৌলভীবাজার জেলার প্রেমনগর চা বাগানে শ্রমিক কার্ড নিয়ে অবৈধ লেনদেনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, নিবন্ধিত এক শ্রমিকের কাজ তিন লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এতে সরাসরি জড়িত রয়েছেন বাগানের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম, ম্যানেজার ও টিলা বাবু প্রানেস কর।

ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন কয়েকজন সর্দার খেয়াল করেন, প্রেমনগরের শ্রমিক সেলিনা কাজ না করলেও, তার নামে হাজিরা দেখানো হচ্ছে। হবিগঞ্জের খবরের তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রকৃতপক্ষে সেই কাজটি করছেন অন্য একজন শান্তা নামে পরিচিত। যিনি ভিকটিম সেলিনা নামে পরিচিত। সেলিনার সাথে সাবেক ম্যানেজার হুসেইন উদ্দিনের পূর্ব থেকে ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল বলে জানা গেছে। আসলে সেলিনা তার কাজটি শান্তার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এর আগে শান্তা অনেকের বদলী কাজ করে আসছিল।

তদন্তে আরো প্রকাশ পায়, এই অবৈধ লেনদেনে টিলা বাবু প্রানেস কর নেন এক লাখ টাকা, এবং ডিজিএম রফিকুল ইসলাম ও ম্যানেজার ভাগ করে নেন বাকি দুই লাখ টাকা। অথচ চা বাগান পরিচালনার নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, নিবন্ধিত শ্রমিক কার্ড বিক্রয় বা হস্তান্তর সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল টি কোম্পানির আওতাধীন প্রায় ১২টি চা বাগানে এমন অবৈধ কার্ড বাণিজ্য চলছে নিয়মিত। প্রতিটি শ্রমিক কার্ড ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি হলেও, পুরো টাকাটা বিক্রেতা পান না। মাঠ পর্যায়ের ম্যানেজার, ডিজিএম এবং ঢাকার হেড অফিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পর্যন্ত কমিশন দিতে হয় – এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।

এ ঘটনায় প্রেমনগরসহ সংশ্লিষ্ট চা বাগানগুলোর শ্রমিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত ও যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ডিজিএম রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোনে পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি রফিকুল ইসলামই প্রেমনগর চা বাগানের ম্যানেজারের দায়িত্বে রয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..