বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন দুনিয়ার স্ত্রীরা কি আখিরাতেও স্বামীদের সঙ্গী হবে? কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে হবিগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা ‎ফেসবুকে প্রেমের ফাঁদে ব্ল্যাকমেইল: হবিগঞ্জ ডিবির অভিযানে প্রতারক আটক পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ কারাগারে আ’লীগ নেতা দুলাল মিয়া নামের এক আসামীর মৃত্যু।। বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন ময়না মিয়া না পেরে দেশে চলে গেছে গণভোটে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে উঠান বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দিলেন তথ্য সচিব রূপাইছড়া রাবার বাগান ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

রূপাইছড়া রাবার বাগান ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

এইচ আর রুবেল
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫ বার পঠিত

 বাহুবল উপজেলার রূপাইছড়া রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফআইডিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারী শ্রমিকবৃন্দ যৌথভাবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর একটি বিস্তারিত লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে অভিযোগ করা হয় ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম বিভিন্ন খাত দেখিয়ে গত কয়েক বছরে “নামে-বেনামে অগ্রিম উত্তোলন, ভুয়া বিল ভাউচার, জাল স্বাক্ষর এবং প্রকৃত কাজ না করিয়ে বাজেটের বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ” করেছেন। এতে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও বাগানের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আনুষঙ্গিক খাত, পূর্ণ বাগান, পুনর্বাসন বাগান, ট্রাক্টর মেরামত, রেই-হাউস মেরামত, পানি লাইন, বাসাবাড়ি মেরামতসহ বিভিন্ন খাতে মোট কয়েক কোটি টাকার অনিয়ম-আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পূর্ববর্তী অর্থ বছরগুলোতেও এফএস সুজন মিয়াসহ কয়েকজন কর্মচারীর নামে “অস্বাভাবিক পরিমাণ টাকা উত্তোলন” ও “ভুয়া খাত দেখিয়ে বার্ষিক বাজেট খরচ” করার তথ্য আবেদনে স্থান পায়। অভিযোগে বলা হয়, বাগানে আগুন প্রতিরোধে ফায়ার-লাইন ও ফায়ার-ওয়াচার নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো লোক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অথচ তিন বছর ধরে এসব খাতে প্রায় ৮ লাখ টাকা বিল করা হয়েছে। অভিযোগকারী অনেকে জানান ফায়ার-ওয়াচারের অনুপস্থিতির কারণে ২০২৪ সালে প্রায় ১২০ একর নতুন বাগান আগুনে পুড়ে যায়। বাগানের শ্রমিকদের দাবি ব্যবস্থাপক ইচ্ছাকৃতভাবে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অফিস আদেশ ও জরিমানা আরোপ করেন। পরে জরিমানা মওকুফের নামে প্রতি মাসে ৩০/৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। দুদকে পাঠানো আবেদনে বলা হয়, ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম গত কয়েক বছরে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২ কোটি টাকার বেশি মূল্যের জমি ও বাড়ি ক্রয় করেছেন, যা তার বেতন ও পরিচিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া তার বাবা একজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা, যিনি “আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছিলেন” আবেদনে এমন দাবিও করা হয়েছে। আবেদনকারীরা জানান, ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম নিজেকে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার “ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি” হিসেবে পরিচয় দেন এবং এ পরিচয় ব্যবহার করেই তিনি বাগানে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রয়োগ করে আসছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..