রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
নিজের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সহ মনের কথা ও তথ্য দিয়ে  সংবাদ পাঠাতে পারেন, আপনার পরিচয় গোপন রেখে যাচাই বাছাই করে  নিয়ম অনুযায়ী   প্রকাশ করা হবে ।
শিরোনামঃ
ওমানে দুই তালার ছাদ থেকে পরে কোমর এবং পায়ের হাড় ভেঙ্গে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বানিয়াচংয়ে একই পরিবারের দুই সন্তানের উজ্জ্বল মুখ: বৃত্তি পরীক্ষায় ভাই-বোনের চমকপ্রদ সাফল্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা পত্র হস্তান্তর হবিগঞ্জে সরকারি অনুমোদন পেল দৈনিক ‘রূপান্তর সময়’ ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি (জনবীমা) হবিগঞ্জে প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ সমাজ সেবক মোহাম্মদ সজলু মিয়া ন্যাশনাল টি’র আর্থিক হিসাবে বড় ধরনের গরমিল, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উঠে এলো উদ্বেগজনক তথ্য বহুল প্রচারিত দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকায় হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিনিয়র সাংবাদিক শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল। দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া জায়েজ? হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ জাকির মিয়া হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ জাকির মিয়া

বিল নিয়ে খেদ হাসপাতালে ভর্তি তসলিমার

রিপোর্টারের নাম
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১২৩৫ বার পঠিত
ফাইল ছবি

জ্বর আর পায়ে ফোঁড়া নিয়ে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। চিকিৎসা শেষে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হতে পারছেন না। কারণ চিকিৎসাবাবদ হাসপাতালের যে বিল উঠেছে তা তিনি পরিশোধ করলেই তাকে বের হতে দেয়া হবে। বিলের পরিমাণ ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এত ছোট রোগে এত বিল উঠবে তা তার ধারণার বাইরে ছিল।

এ বিষয়ে বুধবার তসলিমা নাসরিন তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাতে ফুটে উঠেছে কলকাতায় চিকিৎসা ব্যয়ের চিত্র। তবে তিনি হাসপাতালের নাম উল্লেখ করেননি তার স্ট্যাটাসে।

তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবুহু তুলে ধরা হলো- ‘পাঁচদিন পর হাসপাতাল থেকে বেরোতে চাইছি কিন্তু বেরোতে দেয়া হচ্ছে না। টাকা পুরো শোধ করলেই তবে বেরোতে পারব। টাকা কত? ১ লাখ ৬৫ হাজার। কী অসুখ হয়েছিল আমার? গায়ে জ্বর আর পায়ে ফোঁড়া। জ্বর কমাতে আর ফোঁড়া গালাতে খরচ যে এত, জানলে এ মুখো হতাম না। খুব যে দামি ক্লিনিকে এসেছি তা কিন্তু নয়।’

 

‘ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি সারাদিন দেখছি-ভাবছি, শেষে না করে দিল তারা পে করবে না। অসহায় মানুষটি চারদিকে হাতড়াচ্ছি। যত থলে রেখেছি এদিকে সেদিকে, ঝেড়ে ঝেড়ে দেখছি মুক্তি পেতে পারি কি না…। না এভাবে চলবে না। এরপর জ্বর হলে নিজেই জলপট্টি দেব, ফোঁড়া হলে নিজেই ফুটো করে পুঁজ-রক্ত বের করে নেব।’

তার এই স্ট্যাটাসের নিচে কমেন্টে পূরবী রায় নামের এক নারী লিখেছেন- অদ্ভুত! জ্বর আর ফোঁড়ার জন্য এত টাকা বিল। মাথাই নষ্ট।

ফারুক ভূঁইয়া রবিন নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, মুখরোচক ভাষায় বলা হয়ে থাকে ‘চিকিৎসা সেবা’। কিন্তু বাস্তবে সেবার নামে যা হয়ে থাকে, তাকে গলাকাটা ব্যবসা বললেও কম বলা হবে।

দেবাষিশ ঘোষ নামের আরেক ব্যক্তি লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নতুন নির্দেশিকা অনুসারে কাউকে বিল পে না করতে পারার জন্য আটকে রাখা যায় না। হাসপাতালের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেয়া যায়। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন। আপনার পোস্ট না পেয়ে চিন্তায় ছিলাম। আর যদি এই অধমের কাছে কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হয় তো বলবেন। কৃতজ্ঞ থাকব।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..